অর্থনীতিজাতীয়প্রচ্ছদরাজনীতিসর্বশেষসারাদেশ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০১৮ ও ২০২৩ সালের ইশতেহারে আদৌ কোনও ফারাক আছে কি ?

গোলাম এহতেশামুল হক বিপ্লব

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যে ইশতেহার ঘোষণা করেছে তার মূল উপজীব্য বিষয় হলো ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ এবং এতে ‘উন্নয়ন দৃশ্যমান’ হয়েছে দাবি করে সামনে কর্মসংস্থান বাড়ানোর স্লোগান তুলে ধরা হয়েছে।

এর আগে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় যে ইশতেহার দেয়া হয়েছিলো তাতে শ্লোগান ছিলো ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’, যাতে প্রতিটি গ্রামে আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়টিকে বিশেষ অঙ্গীকারের তালিকায় রাখা হয়েছিলো।

তবে সেবার তরুণদের জনশক্তিতে রূপান্তর, কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন, দারিদ্র নির্মূল, বিদ্যুৎ জ্বালানির নিশ্চয়তার মতো বেশ কিছু বিষয়কে বিশেষ অঙ্গীকার তালিকায় রাখা হলেও এবার বিশেষ অগ্রাধিকারের শুরুতেই রাখা হয়েছে দ্রব্যমূল্য ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টার কথা।

একই বিশেষ তালিকায় রাখা হয়েছে ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় সবাইকে যুক্ত করার মতো বিষয়টি।

বুধবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ইশতেহারের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও শেখ হাসিনা দেশের ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সরকার পরিচালনার বিশাল কর্মযজ্ঞে আমাদের কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি হওয়া স্বাভাবিক। আপনাদের রায় নিয়ে তা সংশোধন করে জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাই”।

প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গত প্রায় দু বছর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ব্যাংক খাতে ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়মের নানা অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।

আওয়ামী লীগের ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির সদস্য সাব্বির আহম্মেদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন এই ইশতেহার এসেছে একটি ধারাবাহিকতা থেকে যেখানে বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে শিল্পোন্নত দেশের দিকে নিয়ে যাওয়ার একটি রূপরেখা দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *