সাংবাদিকদের সন্তানদের শিক্ষা বৃত্তি দেবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ফেনীতে এম আবদুল্লাহ
শহর প্রতিনিধি
বাাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম. আবদুল্লাহ বলেছেন, দেশজুড়ে যারা ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে দাফন করেছেন তাদের বিচার হওয়া উচিত। যারা সেদিন প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা করে ফ্যাসিস্ট সরকারকে ধরে রাখতে চেয়েছে তাদের বিষয়েও অনুসন্ধান হওয়া দরকার। ঢাকার বাইরে দেশে সর্বোচ্চ একদিনে ফেনীর মহিপালে ব্রাশফায়ারে ৯ জনকে হত্যা করা হয়েছে। প্রকাশ্য দিবালোকে বর্বরোচিত এ হত্যাকান্ড বিবেককে নাড়া দিয়েছে। এর পরদিনই দেশ স্বাধীন হয়েছে।”
বাাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিযুক্ত হওয়ায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের বেষ্ট ইন হল রুমে এম. আবদুল্লাহকে সংবর্ধনা দিয়েছেন ফেনীতে কর্মরত সাংবাদিক দের একাংশ । সংগ্রাম প্রতিনিধি একেএম আবদুর রহীমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রথম আলো প্রতিনিধি ও মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল,সাংবাদিক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারি, জামায়াতে ইসলামীর জেলা প্রচার সম্পাদক আ.ন.ম আবদুর রহীম, জেলা তথ্য কর্মকর্তা এসএম আল আমিন।
বিগত সরকার আমলে পেশাদার সাংবাদিকরা বঞ্ছিত হয়েছেন উল্লেখ করে এম. আবদুল্লাহ বলেন, “বিগত ১৫ বছরে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ৬ হাজার সাংবাদিককে সহায়তা করা হয়েছে। এর মধ্যে নয়া দিগন্ত পত্রিকার শুধুমাত্র একজন সাংবাদিক সহায়তা পেয়েছেন। ভিন্নমতের সাংবাদিকরা সহায়তা থেকে বঞ্ছিত হতেন। তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের নির্দেশনায় স্বচ্ছতার সাথে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালনা হচ্ছে।”
তিনি আরো বলেন, “সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে। সাংবাদিকতা নিয়ন্ত্রন করতে আওয়ামীলীগ এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছিল। পেশাদার সাংবাদিকদের তথ্য রাখতে আমাদের উদ্যোগ। প্রবীণ ও অবসরকালীন সময়ে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সহায়তার বিষয়টি চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। সাংবাদিক সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালুর উদ্যোগ রয়েছে

