অপহরণ-চাঁদাবাজি মামলায় ফেনীর বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা ফটিক কারাগারে
বিশেষ প্রতিনিধি
ফেনী জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জামশেদুর রহমান ফটিককে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) তিনি ফেনী যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. জাহিদ হোসাইনের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ফেনীর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক এসএম আতিক উল্লাহ বলেন, জামশেদুর রহমান ফটিক নামের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় একটি অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলা ছিল। তিনি ওই মামলার একমাত্র আসামি। জামিনে গিয়ে তিনি অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। আজ তিনি সকালে ফেনীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন শুনানি শেষে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দাগনভূঞা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান জানান, ফটিকের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলার চলমান।
এরআগে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ছাত্রদল কাজী জামশেদুর রহমান ফটিককে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করে।
ফটিক ফেনীর দাগনভূঞা অঞ্চলে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে তিনি একটি পক্ষের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেনের গ্রুপের সঙ্গে কাজী জামশেদুর রহমান ফটিকের অনুসারীদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াই রয়েছে। দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপি ও স্থানীয় রাজনীতির বিভাজনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তার সমর্থকদের সঙ্গে প্রতিপক্ষ গ্রুপের বেশ কয়েকবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

