জাতীয়প্রচ্ছদরাজনীতিসর্বশেষসারাদেশ

উচ্ছ আদালতের সঙ্গে প্রতারণা অভিযোগে বাতিল হতে পারে ইশতিয়াকের প্রার্থীতা

বিশেষ প্রতিনিদি

মনোনয়ন বাতিল করার পর আবারও ফেনী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইশতিয়াক সৈকতের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টের একই বিষয়ে দুটি রিট করা নিয়ে এই প্রশ্ন উঠেছে। 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন আবুল বাশার ও তাঁর ছেলে ইশতিয়াক আহম্মেদ সৈকত। আবুল বাশার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেও আসন সমঝোতার কারণে পরে সরে দাঁড়ান। অন্যদিকে সৈকত স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। কিন্তু এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিলের কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইশতিয়াক আহমেদ সৈকত কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা এবং ফেনী-৩ আসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী ও যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশারের ছেলে।

প্রার্থিতা ফেরাতে হাইকোর্টে দুটি রিট করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী এটি করা যায় না।

এদিকে কমিশনের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুটি রিট করেন সৈকত। তার রিট নম্বর ১৬৫৪৪/২৩ ও ১৬৫৪৫/২৩। আবেদন দুটি নির্বাচনী বিষয় শুনানির জন্য গঠিত হাইকোর্টের দুটি বেঞ্চে উত্থাপন করা হয়। ১৬৫৪৫ নম্বর রিটটি বিচারপতি ইকবাল কবিরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ থেকে উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করা হয়।

এরপর ২১ ডিসেম্বর ১৬৫৪৪ নম্বর রিটটি উত্থাপন করা হয় বিচারপতি আবু তাহের সাইফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে। এই বেঞ্চ শুনানি নিয়ে ইসির সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল দেন। এর ফলে তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা নেই বলে জানানো হয়।

এদিকে এই বিষয়টি এরই মধ্যে হাইকোর্টের নজরে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসির আইনজীবী শাহজাহান সাজু। তিনি বলেন, ‘একই বিষয়ে দুটি রিট করা আদালতের সঙ্গে প্রতারণা বলে গণ্য হয়। আমরা তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের উদ্যোগ নিচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *