অর্থনীতিক্যাম্পাসজাতীয়প্রচ্ছদরাজনীতিসর্বশেষসারাদেশ

খাল নালা দখল করে পৌর কতৃপক্ষের মার্কেট নির্মাণ, টানা বৃষ্টিতে ডুবেছে ফেনী

গোলাম এতেশামুল হক বিপ্লব

হাসিনা সরকারের সময় ফেনী শহরের একের পর এক খাল নালা দখল করে মার্কেট নির্মাণের কারণে টানা বৃষ্টিতে ডুবেছে ফেনী শহরের আবাসিক এলাকা ও রাস্তাঘাট।

শহরের জিরো পয়েন্টে পিটিআই খাল দখল করে পৌরসভার ব্যানারে মার্কেট নির্মাণ, একই সাথে খাজা আহমদ লেক দখল করে ৫ শতাধিক দোকান নির্মাণ, শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়ক ও তৎসংলগ্ন এলাকার পানি নিষ্কাশনের অন্যতম পাগলিরছড়া খাল দখল করে পৌরসভার ব্যানারে মার্কেট নির্মাণ করে স্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়।

অন্য দিকে ফারুক হোটেলের পর থেকে একাডেমী পর্যন্ত সড়কের পানি নিষ্কাশনের জন্য দায়ী অনুন্নত ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা। এই এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনগুলোর সাথে কোন খালের সংযোগ স্থাপন করা হয়নি। ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কেই প্রতিষ্ঠার ৪০ বছরেও আধুনিক ও পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিতে  পারেনি ফেনী পৌরসভা।

এদিকে একটি ভূমিখেকো থেকে অবৈধ সুবিধা দিয়ে হাসিনা সরকারের বিনা ভোটে নির্বাচিত  তৎকালীন এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীর হস্তক্ষেপে কুমিল্লা বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন জমজম টাওয়ারের দক্ষিণ অংশে শহরের মূল ড্রেনটির ২০০গজ ড্রেন নির্মাণ করা হয়নি। ২০০ গজ ট্রেন নির্মাণ না করায় শহরের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে বন্ধ হওয়েযায়। এতে করে সামান্য বৃষ্টিতেই শহরের অলি গলি  অধিকাংশ দোকানপাটে পানি প্রবেশ করে লাখ লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয় ক্ষতির মুখে পড়েন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। 

শহরের গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো এখন ফেনী পৌরসভা আর অবৈধ দখলদারদের কবলে। অবিলম্বে এসব খাল উদ্ধার করে পানি প্রবাহের পথ উন্মুক্ত করা দাবি করেছেন পৌর বসি।

এদিকে শহরের জলাবদ্ধতা দেখে অনেকেই বন্যা আতঙ্কে রয়েছেন।

এটি বন্যার পানি নয়, বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় জমা পানি। ২০২৪ সালের বন্যার আর পুনরাবৃত্তি হবে না। ফেনী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাময়িক এ  জলাবদ্ধতায় আতঙ্কিত না হতে শহরবাসীকে আশ্বস্ত করা হয়েছে পৌর প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন।

তিনি বলেন শহরবাসীর প্রাণের দাবী, অবিলম্বে অবৈধ মার্কেট ও স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে পানি প্রবাহের খালগুলো উন্মুক্ত করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *