জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন
আগামী ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ সারা দেশে ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করা হবে। বাংলাদেশে প্রথম ১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাতকানা প্রতিরোধ প্রকল্প শুরু করেন, যার মাধ্যমে ৫ বৎসর বয়সী শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ১৯৭৩ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও রোগ নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ কর্মসূচি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। ১৯৮১ সাল থেকে অদ্যাবধি জাতীয় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, মহাখালী, ঢাকা এই কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। ভিটামিন এ এর অভাবে চোখের উপর অনেক ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে- এর মধ্যে রাতকানা, কনজাংটিভার শুস্কতা, বিটট স্পট, কর্নিয়ার শুষ্কতা, কর্নিয়ার ক্ষত, কর্নিয়ার স্থানীয় দাগ, চোখের দৃষ্টিশক্তি সম্পূর্ণ রূপে লোপ পাওয়া।
ভিটামিন এ মূলত একটি অনুপুষ্টি। অনুপুষ্টি উপাদান সমূহ আমাদের অতি সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন, কিন্তু এগুলো এতই গুরুত্বপূর্ণ যে নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্রহণ করা না হলে একজন মানুষ অসুস্থ অথবা শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী হতে পারে। আগামী ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ফেনী জেলায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২৪৩০৫২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওযানো হবে।
বৃহস্পহিবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেনী সিভিল সার্জন রানা।
সিভিল সার্জন জানান, ফেনী ছয়টি উপজেলায় কার্যক্রম চলবে।

