অন্যান্যআন্তর্জাতিকজাতীয়রাজনীতিসর্বশেষসারাদেশ

ভারতের মেঘালয়ে ফয়সালের দুই সহযোগী গ্রেপ্তার

সৌরভ সাহা

শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় পলাতক প্রধান আসামি ও তাঁর সহযোগীকে ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগে দুই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে মেঘালয় পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, সীমান্ত পারাপার ও নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে এই দুই ব্যক্তি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। রবিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, হাদি হত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত। ঘটনার পর ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর শেখ পরিকল্পিতভাবে ঢাকা ছাড়েন এবং বিভিন্ন পথ হয়ে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছান।

এদিকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সব নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটিকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

ঢাকা-১৭ আসনে বেস্ট প্রার্থী হচ্ছেন তারেক রহমান: পার্থঢাকা-১৭ আসনে বেস্ট প্রার্থী হচ্ছেন তারেক রহমান: পার্থ
ডিএমপির ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার আমিনবাজার থেকে কালামপুর হয়ে ময়মনসিংহ সীমান্তে পৌঁছানোর পর ফয়সাল ও আলমগীরকে গ্রহণ করেন ফিলিপ পাল ও সঞ্জয় নামের দুই ব্যক্তি। তাঁরা অবৈধভাবে মানুষ পারাপারের সঙ্গে জড়িত। পরে ফিলিপ পাল তাঁদের ভারতের মেঘালয় রাজ্যে নিয়ে যান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মেঘালয়ের তুরা এলাকায় পৌঁছানোর পর ফিলিপ পাল দুই আসামিকে ভারতীয় নাগরিক পূর্তির কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর সামী নামের আরেক ব্যক্তির গাড়িতে করে তাঁরা অন্যত্র চলে যান। এই পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পূর্তি ও সামীকে গ্রেপ্তার করেছে মেঘালয় পুলিশ। ডিএমপি জানায়, হাদি হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছয়জন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পাশাপাশি চারজন সাক্ষীও আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *