ফেনীতে কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মকর্তার শ্লীলতাহানির অভিযোগ
মফিজুর রহমান
ফেনীতে সাবেক এক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে বিবি হাজেরা শারমিন নামে এক কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের (সিএইচসিপি ) শ্লীলতাহানির করেছেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ফেনী মডেল থানা একটি মামলা দায়ের করেছেন। শনিবার সকালে ফেনী সদরের কাজিরবাগ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে সোনাপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে ওই নারী কর্মকর্তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে একই ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ইয়াসিন মজুমদার সোহাগ।
অভিযুক্ত মোঃ ইয়াছিন মজুমদার সোহাগ কাজিরবাগ ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড সাবেক মেম্বার ও পশ্চিম সোনাপুর আমজাদ ভূঁইয়া বাড়ির মৃত এরফান আমিন মজুমদারের ছেলে। ভুক্তভোগী ওই কর্মকর্তা ও এজাহার সূত্রে জানাগেছে, শারমিন গত ১২ বছর যাবত সোনাপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোপাইডার (সিএইচসিপি) হিসাবে কর্মরত।
শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় প্রতিদিনের মত যথারীতি সে কমিউনিটি ক্লিনিকে আসে। সকাল নয়টার দিকে সেখানে এসে ক্লিনিকের সাবেক সভাপতি সোহাগ মেম্বার শারমিন এর কাছে এন্টাসিড ট্যাবলেট চায়। তার কথামত ক্লিনিকের আলমীরা হতে ঔষধ নেওয়ার সময় সোগাগ হঠাৎ পিছন দিক হতে শারমিনের মুখ চেপে ধরে। তখন রুমে থাকা পরিছন্নতা কর্মী হোসনে আরা বেগম চিৎকার করতে চাইলে সোহাগ তাকে ভয় দেখেয়ি চুপ থাকতে বলে এবং তাকে রুম হতে বের হয়ে যেতে বলে। এক পর্যায়ে সোহাগ শারমিনের মুখ চেপে ধরা অবস্থায় জোরপূর্বক তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। পরে সে মুখ থেকে সোহাগের হাত সরিয়ে জোরে চিৎকার করলে চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে সোহাগ দ্রুত ক্লিনিক থেকে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে শারমিন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে তারা ক্লিনিকে যায়। এই বিষয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকের বর্তমান সভাপতি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ইলিয়াস আলী জানান, সোহাগ মেম্বারের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে যৌন হেনস্তার অভিযোগটি তিনি শুনেছেন।
সদর উপজেলার রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার মেডিকেল অফিসার (এম,ও,ডিসি) ডাঃ শোয়াল নওশীন নুর চৌধুরী বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন একটি ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এমন একটি জনবহুল জায়গায় যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে তবে অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় নারীরা আজ কোথাও নিরাপদ নয়। কাজিরবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী বুলবুল আহমেদ জানান, এই বিষয়ে ভুক্তভোগী ফেন

