অবাধ,গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবীতে গণমুক্তি জোটের মতবিনি
শহর প্রতিনিধি
অবাধ, সুষ্ঠ,গ্রহণযোগ্য এবং অংশ গ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবীতে গণমুক্তি জোটের মত বিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন এর আয়োজন করা হয়।
গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
রবিবার সকালে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সভায় সভাপতিত্ব করেন এ্যাড মাহবুব মোর্শেদ তারেক ফেনী জেলা সমন্বয়ক গনমুক্তি জোট, সঞ্চালনা করেন শরীফ মোঃ বেদুইন হায়দার লিও এবং প্রধান আলোচক ছিলেন আবু লায়েস মুন্না প্রধান সমন্বয়ক, গণমুক্তি জোট। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় বলা হয়, গণমুক্তি জোট নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ও সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চায় আগামী দিনের রাজনীতির সঠিক একটি গন প্লাটফর্ম।
স্বাধীনতার পর থেকেই কোন শাসক দলই স্বাধীনতার অঙ্গীকার- সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা বাস্তবায়ন করেনি। উল্টো দূর্নীতি-বৈষম্য-মতপ্রকাশে বাধাঁ, টাকা পাচার, ভোট ডাকাতি ও সন্ত্রাস কায়েম করেছে। সে কারণে বড় দুই দলকে ফ্যাসিস্ট আখ্যায়িত করে বর্জন করতে এবং বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে এসেছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবীর বিপরীতে সরকারও বলছে সুষ্ঠু নির্বাচন দিবে। কিন্তু বিগত দুটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় সে কথা কেউ আর বিশ্বাস করেনা। গণমুক্তি জোট একটি নির্বাচনমূখী জোট এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনে প্রার্থী দিতে চায়। তবে অবশ্যই সে নির্বাচন হতে হবে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহনমুলক। এজন্য ঐ টি দাবী করা হয়েছে । দাবী গুলো হলো:
১/ তফসীল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে।
২/ মন্ত্রীসভা ছোট করতে হবে এবং মন্ত্রীসভায় বিরোধী দলগুলোর প্রতিনিধি যুক্ত করতে হবে।
৩/ স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের অধীনে আনতে হবে।
৪/ নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে আইন সংশোধন করতে হবে যাতে সরকার নির্বাচন কমিশনের আদেশ নির্দেশ মেনে চলতে বাধ্য থাকে।
৫। সকল নির্বাচনে পলিং এজেন্ট প্রথা বাতিল করতে হবে।
৬। প্রবাসীদের অন লাইনে ভোট প্রদানের ব্যাবস্থা করতে হবে।
৭। রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কে দিতে হবে।
৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বাংলায় আপামর জনতা যেমন কামার, কুমার, তাতী, জেলে, কৃষক, শ্রমিক, রিকশা- ভেন গাড়ী চালক,দিন মুজুরসহ সকল মেহনতী মানুষের ও সকল শ্রেণী পেশার মানুষের বাংলাদেশে যে মুক্তির লক্ষ্যে আমাদের আত্নহুতি, যে কাঙ্ক্ষিত সোনার বাংলায় একটি শোষনহীন লুটেরা মুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্যে গণমুক্তি জোটে যোগ দিয়ে বিকল্প রাজনৈতিক প্লাটফর্মকে শক্তিশালী করা এবং গণমানুষের সার্বিক মুক্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান জোটের চেয়ারম্যান ড.শাহরিয়ার।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জোটের অন্যতম কো চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন মজুমদার, সমন্বয়ক মনি মোহন বিশ্বাস প্রমূখসহ জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রার্থীসহ জোটভুক্ত দলসমূহের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ।

