কুঠিরহাটে ১০ লিটার রেক্টিফাইড স্প্রিটসহ আটক ১,মামলায় দেখানো হয় ৬ লিটার
বিশেষ প্রতিনিধি
সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের কুঠিরহাট বাজার থেকে ১০ লিটার ৯০ বোতল রেক্টিফাইড স্প্রিটসহ হুদয় চন্দ্র পাল নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরির্দশক জীবম বডুয়ার নেতৃত্বে একটি টিম তাকে আটক করে।
আটককৃত হুদয় চন্দ্র পাল চরমজলিশপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের অমর চন্দ্র পালের ছেলে।
এ ঘটনায় ৬ লিটার দেখিয়ে মামলা দায়ের করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জীবন বড়ুয়া।
স্থানীয় বাজারের ব্যাবসায়ীরা জানান, হুদয় চন্দ্র পাল কে প্রকাশ্যে বহু মানুষের সামনে তিন কাটুন স্প্রিট সহ আটক করা হয় । এসময় হুদয় চন্দ্র পালের দোকানে তল্লাশি করে আরো বেশ কয়েকটি বোতল জব্দ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ। জয়নাল আবেদীন নামে এক ব্যবসায়ী জানান হুদয় চন্দ্র পাল দীর্ঘ দিন বাজারে প্রকাশ্যে সরকারি নিষিদ্ধ স্প্রিট বিক্রি করে। যুব সমাজকে হুমকির মুখে পেলেছে।
বাজার বনিক সমিতির সভাপতি নুর মোহাম্মদ আকাশ জানান আমি দোকান বন্ধ করার সময় হুদয়কে আমার দোকানের সামনে থেকে প্রকাশ্যে বহু মানুষের সামনে কয়েক কাটুন স্প্রিট সহ আটক করে। যা এখানকার প্রায় দেডশতাদিক ব্যবসায়ী পথচারী ও সিএনজি চালকরা দেখেছে। তিনি আরো বলেন এ বাজারে গভীর রাতে হুদয়ের দোকান থেকে অনেকে নেশা জাতীয় স্প্রিট ক্রয় করে তা খেয়ে বাজারে মাতলামি করে। কয়েকদিন আগে উত্তর বাজারের রতন বড়ুয়া নামের এক জন নেশার জন্য টাকা দিয়ে স্প্রিট না পেয়ে তার দোকানের তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করে এসময় সোনাগাজী মড়েল থানার এসআই লিঠন রতন বডুয়া ও হুদয়কে সতর্ক করে যায়। আকাশ জানান, উপস্থিত শতশত মানুষের সামনে ২৫০ মিলি ২৪ বোতল,৭৫০ মিলি প্রায় ৩০ বোতল ২শ মিলির ২৫ বোতলসহ কয়েক কাটুন স্প্রিট উদ্ধার করে এসময় বেশ কয়েকটি খালি বোতল উদ্ধার করে। নাহিদ নামের এক ব্যবসায়ী জানান মাদকদ্রব্য কি মালামাল জব্দ করেছে তা বলেনি তবে আমার নাম ঠিকানা লিখে নিয়েছে।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদে রেক্টিফাইড স্প্রিট মজুদের খবরে কুঠিরহাট বাজারে অবস্থান করে ডিএনসিসির টিম এসময় হুদয় টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর সময় দাওয়া করে তাকে আটক করে। তার হাতে থাকা দুটি কাটুন থেকে ৬০ বোতল (৬ লিটার) বিক্রয় নিষিদ্ধ নেশা জাতীয় এলকোহল যুক্ত স্প্রিট উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জীবন বড়ুয়া বাদী হয়ে সোনাগাজী মড়েল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জীবন বড়ুয়ার জানান আমি গাড়ীতে আপনি উপ পরিদর্শক বাশারের সাথে কথা বলুন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বজলুর রহমান জানান, আমি একটি মিটিং এ বাহিরে রয়েছি। আমি বিষয়টি জেনে আপনাকে জানাবো।
