ভারতীয় আগ্রাসনের বিষয়ে আরও বেশি সজাগ থাকব : পানিসম্পদ মন্ত্রী
গাজী মাসুদ রানা
ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীর মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পk উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে সামনে রেখে প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন বাঁধ পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি। এনি বলেন ভারতীয় আগ্রাসনের বিষয়ে আরও বেশি সজাগ থাকবো।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে তিনি পরশুরাম-সুবার বাজার সড়কে মূহুরী ব্রীজ সংলগ্ন নদী ও বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ, নদীভাঙন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন।
২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বাঁধের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পরশুরাম-ফুলগাজীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এরপর থেকেই স্থায়ী বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসময় ফেনী ১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ফেনীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু,ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক,পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব,মশিউর রহমান বিপ্লব,বেলাল আহমদ,জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ বাহার, সাধারণ সম্পাদক আলাল উদ্দিন আলাল, পরশুরাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতনু বড়ুয়া, পরশুরাম উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আবদুল হালিম মানিক,সদস্য সচিব ইব্রাহিম খলিল মনিসহ বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পানি সম্পদমন্ত্রীর পরিদর্শনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। তাদের প্রত্যাশা, এক নেকে অনুমোদন হওয়া দেড় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মুহুরী কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পে বাস্তবায়িত হলে পাহাড়ি ঢল ও নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে প্রতিবছর সৃষ্ট বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ও প্রকল্প উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রস্তুতিও চলছে। স্থানীয়দের আশা, প্রকল্পটি দ্রুত ও টেকসইভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরশুরাম-ফুলগাজীর মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হবে।

