মোবাইলের আগুনে অ.গ্নি.দ.গ্ধ হয়ে না ফেরার দেশে ছাগলনাইয়ার ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান
দ্বীন মোহাম্মদ মজুমদার
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের এক বাসিন্দা ঢাকায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার পর শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানলেন। তিনি ঘোপাল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড নোয়াপাড়া সিদ্দিক বাড়ির বাসিন্দা ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান। মৃত্যুকালে তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলের জনক ছিলেন। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পারিবারিক প্রেক্ষাপট ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা:
পারিবারিক ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, মিজানুর রহমান ঢাকায় ব্যবসা করতেন। তিনি সাভারে একটি ভাড়া বাসায় একা থাকতেন। গত শনিবার (১৩ জুন) রাত আনুমানিক একটার দিকে বাসায় তিনি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অ.গ্নি.দ.গ্ধ হন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি বিশেষায়িত বার্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।
অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি গতকাল রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
স্বজনদের বক্তব্য:
নিহতের স্বজন সুজন ভূঁইয়া জানান, সাভার থেকে স্থানীয় এক ব্যক্তি তাঁকে মধ্যরাতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবরটি জানিয়েছেন। তবে কীভাবে এই ঘটনাটি ঘটেছে—তা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, মিজানুর রহমান যে কক্ষে থাকতেন, সেই কক্ষে কোনো ধরণের বি.স্ফো.র.ণ হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এটি কিসের বি.স্ফো.র.ণ তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার। তবে স্থানীয় অনেকের ধারণা, মোবাইল বা এই জাতীয় কোনো ডিভাইস বি.স্ফো.র.ণে।র ফলে এমনটি ঘটতে পারে। মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টসের স্টক লটের ব্যবসা করতেন বলে জানান স্বজন সুজন ভূঁইয়া।

