নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আমার ছোট ভাই মেরেছে’ কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব নিশাত
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আপনারা কিছুদিন আগে দেখেছেন কুষ্টিয়ায় এসে উত্তমমধ্যম খেয়ে চলে গেছে। উত্তমমধ্যম দিয়েছে, আমি জোর গলায় বলতে পারি, আমারই এক ছোট ভাই মেরেছে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার বিষয়ে এভাবেই মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাত।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা সরকারি কলেজ আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হামলার বিষয়ে খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাত বলেন, ‘সে বেয়াদপ, তাকে মারার প্রয়োজন ছিল, তাকে মারছে। তাকে জনসাধারণও মারছে, সেখানকার দোকানদারও মারছে তার মুখের ভাষার কারণে।’
এনসিপির নেতাদের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও কড়া মন্তব্য করেন ছাত্রদলের এই নেতা।
তিনি বলেন, ‘এরা জীবনে কোনোদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোনো উজ্জ্বল নক্ষত্র হতে পারবে না। এরা বাংলাদেশের রাজনীতির একটি কীটপতঙ্গ হিসেবে ইতিহাসে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।’ নিশাতের এমন বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর হামলার কারণ ও জড়িতদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এদিকে আমলা সরকারি কলেজে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবনী এবং ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কী ও কর্মক্ষেত্রে এর ভূমিকা’ শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আমলা কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আলম চাঁদের সভাপতিত্বে এবং ইস্তিয়ার আহমেদ রাফির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহা. আব্দুল লতিফ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামান, আমলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মামুনুর রশীদ সিদ্দিকী এবং মো. নাহিদুল ইসলাম সোহান।
আলোচনা সভা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

