Uncategorized

স্কুলের নামে টাকা লুট করতে অন্য স্কুলের শিক্ষার্থী দিয়ে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি



সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের চর খোন্দকার গ্রামে আফসার উদ্দিন পাটোয়ারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নামে একটি কিন্ডারগার্টেন এর সামনে ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধনে অংশ নেয় আজিজুল হক মায়মুন আরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২০ মে) সকালে মানববন্ধনে আজিজুল হক মায়মুন আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা অংশ নেয়। আফসার উদ্দিন পাটোয়ারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নিমার্ণের জন্য মানববন্ধনের আয়োজন করে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আমিনুল রশিদ মাসুদ। অথচ এ বিদ্যালয়ের ২০ জন শিক্ষার্থী ও মানববন্ধনের নেই।যার কারণে ৩শ টাকা দিয়ে ভাড়া করে ছাত্র-ছাত্রী এনে মানববন্ধন করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার বিভাগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রকল্প কর্মকর্তা আমিনুল রশিদ মাসুদ ২০১৬ সালে আফছার উদ্দিন মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে একটি কিন্ডার গার্টেন স্কুল স্থাপন করেন। স্কুলের রাস্তা প্রসস্থ করার জন্য মুক্তিযোদ্ধ গোলাম মাওলার পুকুর ভরাট করে। এনিয়ে আদালতে মামলা চলছে।ওই স্কুলের শৌচাগার নিমার্ণের জন্য ২৩-২৪ অর্থবছরে সোনাগাজী সদর ইউনিয়ন থেকে ২ লাখ টাকা ও জেলা পরিষদ থেকে ১০ লাখ টাকা প্রকল্প বরাদ্দ দেয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ এ স্কুলে নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য মানববন্ধনের নাটক সাজানো হয়েছে। ছোট একটি কক্ষ করে ১০ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। যা পুকুর চুরিকে হার মানিয়েছে। আজিজুল হক মায়মুন আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাও আমিনুল রশিদ মাসুদ।
আজিজুল হক মায়মুন আরা বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র দত্ত জানান মানববন্ধে আমাদের স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, পরিচালনা পরিষদরে সদস্য সহ প্রায় দু’শ জন অংশ নিয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য শফিউল্লাহ চুট্টো মহাজন, মহিলা ইউপি সদস্য রোকেয়া আক্তার, সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা নুর নবী তোতা, সাবেক ইউপি শিউলি রানী দাস, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ইউনিয়ন সেচ্চাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আলম মামুন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার জহিরুল ইসলাম, দাতাসদস্য মাহাতাবুর রশিদ, সাইফুল ইসলাম, আব্দুল কাদের ও হাসান।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও দাতা সদস্য মাস্টার জহিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, শুরু থেকেই বর্তমান স্কুল ভবন নির্মাণে বাধাদানকারীরা স্কুল পরিচালনায় অসহযোগীতা করে আসছিল। আমরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে এর প্রতিকার চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *