সংস্কার-সংস্কার বলে যারা জাতীয় নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে চায়, তাদের মতলব কি ? – সালাহ উদ্দিন আহমেদ।
এয়াকুব নবী রিয়াজ
সংস্কার-সংস্কার বলে যারা জাতীয় নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে চায়, তাদের মতলব কি? এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ।
রোববার বিকেলে ফেনী জেলা বিএনপির উদ্যোগে মিজান ময়দানে আয়োজিত জনসভায় এমন কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কোনভাবেই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন দেয়া যাবে না। গত ১৭ বছরে নির্বাচনের নামে যে ভয়ঙ্কর পরিণতি আমরা দেখতে পেয়েছি। তা আর হতে দেয়া যাবে না। তিনি বলেন, একতরফা নির্বাচন করার জন্য রাষ্ট্রশক্তি যাদের হাতে থাকে তারা কি ভয়াবহ অত্যাচারের খড়গ এবং বাধার নজির সৃষ্টি করত প্রতিপক্ষের ওপরে সেটি বলে শেষ করা যাবে না।
প্রধান অতিথি বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের রিপোর্টে উঠে এসেছে শেখ হাসিনার নির্দেশে জুলাই-আগষ্টে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। শেখ হাসিনা জাতিসংঘ স্বীকৃত খুনি। তার সরকারের আমলা মন্ত্রীরা খুনি। তাদের নির্দেশে হাজার হাজার যুবককে খুন করা হয়েছে।
ফেনী জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহবায়ক আনোয়ার পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্ঠা সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ভিপি, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রেহানা আক্তার রানু, গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক জালাল উদ্দিন মজুমদার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক বেলাল আহম্মদ মজুমদার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ হারুন, মশিউর রহমান বিপ্লব, গাজী হাবি উল্যা মানিক, অধ্যাপক এমএ খালেক, আবুতালেব, এডভোকেট মেজবা উদ্দিন ভূয়া, ফজলুর রহমান বকুল, দেলোয়ার হোসেন বাবুল, নাসির উদ্দিন খন্দকার, সাইদুর রহমান জুয়েল, নইম উল্যা চৌধুরী বরাত,সালাউদ্দিন মামুন ও মোরশেদ আলম মিলনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ।
আমাদের ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিলো। সেই সুযোগ যেন আমরা গ্রহণ করি। তাই খেলাধুলা, সংস্কৃতি, সামাজিক জীবন, শিক্ষাক্ষেত্রসহ সবক্ষেত্রেই আমরা নতুন বাংলাদেশ দেখতে চাই। তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছর আমরা ভয়ংকর সময় পার করেছি। একটা পাথর আমাদের বুকে ছিল। সেই পাথর আমাদের খেলার মাঠগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের ফুটবল-ক্রিকেটসহ ক্রীড়াঙ্গন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

