অর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্য

প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে অধ্যাপক (চক্ষু)ডা: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর বক্তব্য

ফেনী থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক পত্রিকায় গত ২২ মার্চ ২০২৫ তারিখে : ফেনীতে ভুল চিকিৎসায় জীবন ঝুঁকিতে কিশোর শীর্ষক সংবাদ আমার দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমার ভুল চিকিৎসা কথাটি সঠিক নয়। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে। চিকিৎসা নিতে আসা আরাফাত জন্মগত ভাবে শারারিক প্রতিবন্ধী ও জম্মান্ধ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। এ ছাড়াও তার চোখের খিচুনি, নিজটেগমাস রোগে এবং চোখের ভেতরে জন্মগতভাবে কনজেনাইটেল এনোমেলি রোগে আক্রান্ত ছিলো। সে দেশের বিভিন্ন বড় বড় চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলেও চিকিৎসকরা তাকে জম্মআন্দ বলে উল্লেখ করেছে। সে দু-চোখে + ৭০০ ডি চশমা দিয়েও ১ ফিটের চেয়েও কম দেখতো। এমতাবস্থায় আমার কাছে আসলে আমি তাকে বলি চোখের ভেতরে দেখতে হবে বলে ড্রপ দিয়ে ঐ দিনে ১ ঘন্টা পর দেখাতে বলি । কিন্তু তারা আর আসেনি। রেকডে দেখা যায়
১২ দিন পর রোগীটা দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। ও পরক্ষনে ডা: প্রশান্ত কুমার শীলের নিকট চিকিৎসা নেয়।
প্রকৃত ঘটনা ও চিকিৎসকের ভাষায় – বিগত ৩১/১/২৫ ইং আমার চেম্বারে আরাফাত ইসলাম ১১ বছরের একজন জন্মান্ধ, Congenital Blindness বাচ্চা চিকিৎসার জন্য তার অভিভাবক নিয়ে আসে। রোগীর দৃষ্টির উন্নতি হচ্ছে না, রোগীর চোখে পানি পড়ছে এবং অন্যান্য চোখের অসুবিধা এবং শারীরিক অসুবিধা complain অভিভাবক করে যা প্রেসক্রিপশন লিখা আছে। অবিভাবক পূর্বের রেকর্ড দেখান সেখানে দেখা যায়, রুগীটাকে পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল, পিজি হাসপাতাল, ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল সহ বিভিন্ন চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন, কিন্তু কোন উন্নতি হয় নাই বরং দিন দিন বাচ্চার অবস্থা অবণতির দিকে যাচ্ছিল। হাতে ধরে ধরে মাদ্রাসাতে নিতে এবং আসতে হত। বিভিন্ন হাসপাতালের রেকর্ডে দেখা যায় চোখের ভিতরে জন্মগত ভাবে অনেক stucture স্বাভাবিক ভাবে develop হয়নি যা রিপোর্টেউল্লেখিত ছিলো। রুগীটাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে বলি বিভিন্ন হাসপাতাল যে ডায়াগনসিস করছেন এটা রিভিউ করে দেখা যেতে পারে তবে আপনাকে বাচ্চার চোখে ড্রপ দিয়ে আসতে হবে।

এর পর রুগী আর আসেনি। পরে জানতে পারি ১২ দিন পরে ১২/২/২৫ ইং রুগীটা দাগুনভূয়া উপজিলা হাসপাতালে ডায়াগনসিস Scarlet ফিভার? With Oral thrush DD Measles আন্টি ব্যাকটেরিয়াল inj ceftron 1gram bd এবং আরো চিকিৎসা নেয়
inj ceftron 1gram bd এবং আরো চিকিৎসা নেয় যা রেকর্ড থেকে দেখা যায়। পরে ফেনীতে একজন ১৩/২/২৫ইং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখালে উনি ভিন্ন ডায়াগনসিস করে চোখের ডাক্তারের পরামর্শ নিতে বলেন তাও রুগীর অভিভাবক আসেনি।

পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪/২/২৫ ভর্তি করলে তারা দাগুনভূয়া হাসপাতালের ডায়াগনসিস পরিবর্তন করে ভিন্ন ডায়াগনসিস চিকিৎসা দেন যা রেকর্ডে আছে এবংআন্টি ব্যাকটেরিয়াল ইনজেকশন Ceftron, Tab Ciprocin ৫০০ mgm bd সাথে আন্টি ভাইরাল ড্রাগ Tab Virux দেওয়ার পর রুগীটার উন্নতি হলে ২৪/২/২৫ তাকে ডিসচার্জ করে দেওয়া হয়। উপরোক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি দেখলে বুঝা যায় রুগীটা কিসে ভুগতে ছিল! মেডিকেল চিকিৎসা পদ্ধতি একটা continuous চিকিৎসা পদ্ধতি। এই ব্যবস্থাকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর কুচক্রি মহল আমার দীর্যদিনের প্রাকটিস/সুনাম এ ঈশ্বানিত হয়ে প্রফেশনাল jealous তে লিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ভাবে ফেইসবুক/নিউস পোর্টাল/মামলা মোকদ্দমা করে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উঠে পরে লেগে এবং মোবাইলে অর্থ দাবি করে হুমকি ধামকি দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার কাজে লিপ্ত রয়েছেন। মামলা করার পর ও তারা সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার নামে কুৎসা রটনা করে চলেছেন যা এক ধরণের cyber ক্রাইম।

এবংআন্টি ব্যাকটেরিয়াল ইনজেকশন Ceftron, Tab Ciprocin ৫০০ mgm bd সাথে আন্টি ভাইরাল ড্রাগ Tab Virux দেওয়ার পর রুগীটার উন্নতি হলে ২৪/২/২৫ তাকে ডিসচার্জ করে দেওয়া হয়। উপরোক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি দেখলে বুঝা যায় রুগীটা কিসে ভুগতে ছিল! মেডিকেল চিকিৎসা পদ্ধতি একটা continuous চিকিৎসা পদ্ধতি। এই ব্যবস্থাকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর কুচক্রি মহল আমার দীর্যদিনের প্রাকটিস/সুনাম এ ঈশ্বানিত হয়ে প্রফেশনাল jealous তে লিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ভাবে ফেইসবুক/নিউস পোর্টাল/মামলা মোকদ্দমা করে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উঠে পরে লেগে এবং মোবাইলে অর্থ দাবি করে হুমকি ধামকি দিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার কাজে লিপ্ত রয়েছেন। মামলা করার পর ও তারা সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার নামে কুৎসা রটনা করে চলেছেন যা এক ধরণের cyber ক্রাইম। রুগীটার বাড়িতে এবং তেমহানি মাদ্রাসায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় রুগীটাকে সমাজে সবাই জন্মান্ধ হিসাবে জানে এবং তাকে হাতে ধরে ধরে মাদ্রাসায় এবং বাজারে সবাই নেওয়া আসা করে হাঁটা শিখার পর থেকে। প্রকৃত ঘটনা মামলায় উল্লেখিত বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসা পত্রে উল্লেখ রয়েছে।

অধ্যাপক (চক্ষু) ডা: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
এমবিবিএস বিসিএস :এফসিফিএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *