জাতীয়সর্বশেষসারাদেশস্বাস্থ্য

জাতীয় সংসদের আদলে চট্টগ্রামে যুব ছায়া সংসদ এর তরুণ সংসদ সদস্য দাগনভূঞার সৌরভ

দাগনভূঞা প্রতিনিধি

পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চলে পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যুব অংশগ্রহণ’এই প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ যুব ছায়া সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে বিকশিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে গ্লোবাল অ্যালাইন্স ফর ইমপ্রুভড নিওট্রিশনের সহায়তায় ও এক টাকায় বৃক্ষরোপণের ব্যবস্থাপনায় এই এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে যুব ছায়া সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন খানসা রহমান। চট্টগ্রাম বিভাগীয় যুব ছায়া সংসদে ছায়া প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তাইবা আক্তার এবং বিরোধী দলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেন তাহমিনা আখতার। অধিবেশনে ছায়া খাদ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মোস্তফা কামাল পাশা, বিরোধীদলীয় উপনেতা ছিলেন শেখ আব্দুল্লাহ্ ইয়াসিন। অধিবেশন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এক ইঞ্চি জমিও যেন আমরা ফেলে না রাখি। উক্ত অধিবেশনে ফেনী জেলার দাগনভুঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন এর বাসিন্দা বাংলাদেশ যুব চায়া সংসদ এর তরুণ সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মুজাহিদ ইসলাম সৌরভ, অধিবেশনের প্রস্তাবনা ছিল: ❝পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চলে পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে যুব অংশগ্রহণ। ❞ সেখানে তিনি সারাদেশসহ নিজ সংসদীয় এলাকার যে সমসাময়িক সমস্যা দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে কথা বলেছেন৷ আজকে বাজারের দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পাই, চাল ডাল আলু পেয়াজসহ ভোগ্য পণ্যের সবকিছুরদাম উদ্ধমুখি, বাজারে অস্থিরতা কমছেই না কিছুতেই। এমনকি ভরা মৌসুমে পর্যাপ্তসরবরাহের পরও সস্থি নেই পন্যের বাজারে রোজার বাকি এখনো ১ মাস কিন্তু এরই মধ্যে রোজাকে সামনে রেখে কৌশলে বাড়ানো হচ্ছে পণ্যমূল্য। রোজার আগমুহুর্তে দামবৃদ্ধি করলে সমালোচনা হয় তাই কিছুটা আগেভাগেই শুরু হয়েছে বাড়ানোর এই প্রবণতা । বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের অনেক বড় বড় অর্জন রয়েছে। তবে, পুষ্টি সেবায় বিরাট অসমতা এখনো বিরাজমান। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য—২ এবং রূপকল্প—২০৪১ অর্জন করতে হলে অপুষ্টি অবসান ও নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় আরও জোর দিতে হবে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এবং খাদ্যমন্ত্রীর কাছে আজকের সংসদীয় আলোচনায় সম্পূরক প্রস্তাব রেখেছেন,
১—ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে উপজেলা, জেলা পর্যায়ে খাদ্য অফিসারের মাধ্যমে দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
২—অসাধু আড়ৎদারদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সৃষ্ঠ কৃত্রিম ভোগান্তি নিরসনে আইনিভাবে আরো কঠোর হতে হবে।
৩— অবশ্যই মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত মানুষের নাগালের মধ্যেই দ্রব্যমূল্য রাখতে হবে এবং দরিদ্র লোকের জন্য সরকারি সহায়তা দিয়ে যেতে হবে।
যুব অংশগ্রহন নিয়ে তিনি আরো বলেছেন, পাব্যর্ত ও উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টির ব্যবস্থাপনায় আমরা যুব অংশগ্রহন যেভাবে নিশ্চিত করতে পারি তা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ যুবক । আমরা লক্ষ্য করি যে বাংলাদেশ স্কাউটস সহ বাংলাদেশের টপ লেভেলের বেশকয়একটি অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন রয়েছে। এই যে সংগঠন গুলোতে যে তরুন গুলো রয়েছে তাদেরকে আমরা বাংলাদেশ যুব চায়া সাংসদের মাধ্যমে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বর্জনের ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য সচেতনতামূলক দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষন দিয়ে পাব্যর্ত অঞ্চলে পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে পারি। বাংলাদেশ স্কাউটসের সাথে কোলাবোরেশন করে যদি কোন প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করি, তাহলে তাদের যে প্রোগ্রাম গুলো আছে সেগুলো বাস্তবায়ন করলো এবং পুষ্টিকর নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে সচেতন হলো। যেটি করে কিনা তরুনরা বাংলাদেশসহ পাব্যর্ত ও উপকূলীয় অঞ্চলে কিভাবে পুষ্টিকর খাদ্য নিশিত হবে সেটা তারা বাস্তবায়ন করতে পারবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *