পরশুরামে বল্লামুখা পরিদর্শনে জামায়াতের আমীর ড. শফিকুর রহমান
এয়াকুব নবী রিয়াজ পরশুরাম
পরশুরামে সাম্প্রতিক সময়ে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের নিজ কালিকাপুরে ভারত সীমান্তবর্তী বল্লামুখা বেড়িবাঁধ ভাঙ্গন পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ড. শফিকুর রহমান। এসময় তিনি বলেন, নদীর বাঙ্গনের অংশ নোমেন্স অংশে পড়েছে, তাদের এই বাঙ্গনের কারনে আমার দেশের মানুষ কষ্ট করেছে তাই তাদের সাথে আমাদের কে একটা সমাধানে পৌছাতে হবে। আমরা চাই সরকার শান্তি পূর্ণ সমাধানের পথে হাটুক এবং এটার একটা স্থায়ী সমাধান হোক। শুধু এই বাঙ্গন নয় এখানে যে বেড়িবাঁধ আছে সেটিও ঝুকিপূর্ণ। এখানে যে ব্লক গুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো পড়ে গেছে তার মানে হলো এখানে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় নাই। এখানে দূর্নীতি হয়েছে, যদি দূর্নীতি না হতো তাহলে বছর বছর যে বাজেট পাশ হয় সেটা যদি কাজে লাগতো তাহেল মানুষের দুঃখ দুর হয়ে যেতো। বার বার মানুষ এই কষ্ট পেতো না। অতিতে যারাই এই অপকর্ম করেছেন তারাও ভোগ করবেন তাদের কর্মের ফল। কিন্তু এর সাথে তারা দেশবাসীকে কষ্ট দিলেন এই জায়গাটাই আমাদের খারাপ লাগে। তাদের লোভ তারা মানুষের জীবনটাকে একটুও বিবেচনায় নিলো না। নিরাপত্তাকে বিবেচনায় নিলো না। ভবিষৎতে আমরা চাই এমন সরকার হউক গ্রাম থেকে শুরু করে পার্লামেন্ট সব জায়গায় তাদের দায়বদ্ধতা থাকবে, তাদের জবাবদিহিতা থাকবে, সচ্চতা থাকবে, তাদরে হাত গুলো দূর্নীতি থেকে মুক্ত থাকবে। এবং জনগনের আমানতের খেয়ানত হবে না। তাহলে দেশের সম্পাদ যেখানেই ব্যয় হবে উন্নয়নের জন্য আত্তরক্ষার জন্য সেই সম্পাদ কাজে লাগবে এবং দেশের চেহারাও বদলে যাবে। দেশ মাতাউচু করে দাড়াতে পারবে। গ্রাম বাংলাকে বাদ দিয়ে মাইনাস করে কোন দেশ নাই। গ্রাম বাংলা আমাদের হৃদপিন্ড। গ্রাম বাংলা থাকলেই এই দেশ বাঁচবে। এই জন্য আমরা ফেনীবাসীর এই যৌক্তিক দাবীকে সর্ম্থন করি এবং সরকারের কাছে আমরা দাবী জানাই এই ব্যাপারে আসুন এক সঙ্গে যুক্তি সংগত পদক্ষেপ গ্রাহন করি। আমরা আপনাদের পাশে থাকবো দেশবাসীর পাশে থাকবো। পরে তিনি দুপুরে সোনালী ব্যাংক চত্বরে উপজেলা ও পৌর জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে পথসভায় বক্তব্য রাখেন। ভাঙ্গন পরিদর্শনকালে উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন জামায়াতের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

