জেলা জজের নাম ভাঙ্গিয়ে সরকারী জমিতে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ
সদর প্রতিনিধি
জেলা জজের নাম ভাঙ্গিয়ে ফেনী রাজাঝির দীঘির পাড়ে কোটি টাকার জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করছেন বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন। গণপূর্ত বিভাগের অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা জজের পক্ষথেকে মঙ্গলবার বিকালে জুড়িশিয়াল বিভাগের বিচারক মোঃ বেলাল হোসেন সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন।
জমির প্রকৃত মালিক গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ফেনী মৌজার বিএস ৪১ খতিয়ানে ৬৫ ও ৬৭ নাম্বার দাগের ৬.৭৮ শতক জমি রয়েছে। উক্ত জমিতে ফেনী জজ কোর্ট কর্মচারী সমিতি ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার ছয়টি দোকানঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে। সড়ক বিভাগ থেকে অবৈধ নির্মাণ কাজে বাধা দিতে আসলে শ্রমিকেরা এটি জেলা জজের কাজ বলে তাড়িয়ে দেয়। এদিকে, ফেনী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী উক্ত কোটি টাকা মুল্যের জমিটিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে জেলা জজকে চিঠি দিয়েছে। জেলা জজের পক্ষথেকে জুড়িশিয়াল বিভাগের বিচারক মোঃ বেলাল হোসেন সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুলাই উক্ত ভূমিতে জনস্বার্থে ওয়াশব্লক নির্মাণের জন্য পৌরসভার তৎকালীন মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী জেলার সমন্বয় সভার সিদ্ধান্তমতে অনাপত্তিপত্র চেয়ে আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে গণপূর্ত বিভাগ ২৮ জুলাই পৌর কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে অনাপত্তিপত্র অধিকারভুক্ত নয় বলে ১৪/৭৭১, তাং-০৮/০৭/২৪ চিঠিতে জানিয়ে দেন। মঙ্গলবার বিকালে গণপূর্ত বিভাগের পক্ষথেকে জেলা জজের কাছে সরকারী জমির মালিকিয় কাগজ পত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।
গত শুক্রবার থেকে ফেনী জেলা জজকোর্টে ফেনী বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন জমিটিতে ছয় কক্ষ বিশিষ্ট দোকানঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে। এ বিষয়ে ফেনী বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন সভাপতি আলতাফ হোসেন যুগান্তর’কে বলেন, জেলা জজের সিদ্ধান্ত মতে দোকানঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেছি। এ বিষয়ে জেলা জজের বক্তব্য নিতে বার বার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
