তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
বিশেষ প্রতিনিধ
তৃণমূলের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনই মার্কিন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান স্তম্ভ। দেশটি আইনের শাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
সেখানে বর্ণ, ধর্ম ও লিঙ্গভেদে সর্বস্তরের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হয় বলে জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস।
সোমবার রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন বিষয়ে সেমিনারে বক্তারা বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে প্রতিটি ধাপ পরিচালিত হয়। এছাড়া স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নির্বাচনি অর্থ ব্যয় ও রাজনৈতিক দলগুলোর তহবিল সংগ্রহের বিষয়গুলোও তদারকি করা হয়।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনি প্রচারণায় এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে অনেকেই এই প্লাটফর্মেই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের আয়োজনে অংশ নেন শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, নির্বাচন বিশেষজ্ঞসহ অনেকেই।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের গণমাধ্যম বিষয়ক উপদেষ্টা স্টিভেন এফ. ইবেলি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সমুন্নত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই সক্রিয়। আগামী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের সেই ধারা কীভাবে সমুন্নত থাকছে। কীভাবে তৃণমূল থেকে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায় তা জানাতেই বাংলাদেশে এই আয়োজন। আগস্টে আরো কর্মসূচী আসছে আমাদের।’
সেমিনারে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন রিপাবলিকান ডেলিগেট প্যাটি রেইম্যান, প্রফেসর আলী রিয়াজ এবং অনুষ্ঠানে ছিলেন নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী বেসরকারি সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ।

